প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর যেন এখন দুর্নীতির আতুর ঘর এমনটাই জানিয়েছেন একাধিক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। নানান অনিয়ম বিভিন্ন অযৌক্তিক শর্ত ও অবৈধ ভাবে টেন্ডার বাগিয়ে নেওয়া যেন এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে । জানা গেছে মূল ভূমিকা রয়েছে সাবেক প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর ক্ষমতাধর এপিএস হিল্টন কুমার সাহা এমনটাই জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছূক কর্মকর্তারা কর্মচারীরা। তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা ব্যাহত করে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভিন্ন সরকারি খামারের টেন্ডার কার্যক্রমে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী লতিফ বিশ্বাসের তৎকালীন পিএস হিল্টন কুমার সাহা ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় প্রভাব খাটিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন সরকারি কোটি কোটি টাকার টেন্ডারের কাজগুলো। অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে গবাদিপশুর খাদ্য এমন কিছু শর্ত আরোপ করেছে যার কোন যৌক্তিক বা বৈজ্ঞানিক ভিত্তি পরিলক্ষিত হয়নি। প্রতীয়মান হয় যে, বিশেষ কোনো ব্যক্তির প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠান বা সরবরাহকারীর নির্দিষ্ট পণ্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রস্তুত করা হচ্ছে টেন্ডার। আর সেই টেন্ডার বাগিয়ে নিচ্ছেন কৌশলে হিল্টন কুমার সাহা এর ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান । একাধিক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সাথে কথা বললে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয় নিয়ম বহির্ভূত ও অস্বাভাবিক শর্তের কারণে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠিত সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান উক্ত দরপত্রে প্রাথমিক ভাবেই অংশগ্রহণ করতে পারবে না।আর এই অনিয়ম ও অবৈধ কাজে জড়িত রয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারী যারা হিল্টন কুমার থেকে অর্থনৈতিক অবৈধ সুবিধা নিয়ে সহযোগিতা করছে । তথ্য অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে এইচ এন এন্টারপ্রাইজ ও লুৎফা এন্ড সস্নস এই দুটি প্রতিষ্ঠানের মালিক আওয়ামী লীগ সরকারের এক ঊর্ধ্বতন নেতার তিনি পলাতক থাকালেও কৌশল অবলম্বন করে বিভিন্ন শর্ত সংযুক্ত করে টেন্ডারে অংশগ্রহণ ও কার্যক্রম সক্রিয় রেখেছেন হিল্টন কুমার সাহা । নিজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সহ ওই দুই প্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ করছে পিএস হিল্টন কুমার সাহা। বেশীর ভাগ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অভিযোগ বর্তমানে এখনো হিলটন কুমার সাহার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর,। এবং হিলটনকে সহযোগিতা করছেন প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তারা ।ভুক্তভোগীরা প্রতিবেদককে আরো বলেন যোগ্য ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান অযৌক্তিক শর্তের কারণে দরপত্রে অংশগ্রহণ ও সঠিক কাজ করা থেকে বঞ্চিত হবে। যার ফলে সরকার অধিক মূল্যে খাদ্য উপকরণ ক্রয়ে বাধ্য হতে পারে যা সরকারি অর্থের সাশ্রয়ী ও কার্যকর ব্যবহারের পরিপন্থী। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আরো বলা হয় পিপিআর ২০২৬ ও ২০২৫ এর বিধান অনুযায়ী সংশোধনপূর্বক সকল যোগ্য ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের জন্য উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের জোর দাবি। ব্যবসায়ীদের দাবি মানা না হলে যে কোন মুহূর্তে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান টেন্ডারবাজ ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করতেও পারে বলে জানিয়েছেন। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ও সাবেক মন্ত্রীর এপিএস হিল্টন কুমার সাহা ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে। সমস্ত টেন্ডার নিজের কব্জায় নিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় না থাকলেও এখনো প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরে সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ বিশ্বাস এর পিএস হিল্টন এর দখলে। অবৈধ উপায়ে টেন্ডার দখল, ক্ষমতার অপব্যবহার, সকল অভিযোগ বিষয়ে জানতে হিল্টন কুমার সাহার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের দাবি হাসিনা সরকার পালিয়ে গেলেও কিভাবে এখনো সাবেক মন্ত্রীর এপিএস পরিচয় দিয়ে হিল্টন কুমার সাহা রাজত্ব করছে প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরে মনে হচ্ছে যেন সর্ষের মধ্যেই ভূত । ঠিকাদার ব্যবসায়ীদের দাবি দর-পত্র অনুযায়ী যাদেরকে কাজ পাওয়া কথা তাদেরকে না দিয়ে অতিরিক্ত দামেই কোন একটি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া হচ্ছে। একাধিক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ পিডি আব্দুর রহিম, টেন্ডার বাণিজ্য,সকল অনিয়ম ও হিল্টন কুমার সাহাকে টেন্ডার পেতে সহযোগিতা করছে । এই অভিযোগ বিষয়ে পিডি আব্দুর রহিম কে ফোন দিলে তিনি মিটিংয়ে আছে বলে মোবাইল ফোনটা কেটে দেন, পরবর্তী তে ফোন দিলে তিনি মোবাইল ফোনটি আর রিসিভ করেন নি।প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে এছাড়াও কিছু অসুধা কর্মকর্তা ঘাপটি মেরে বসে আছে যারা অবৈধ সুবিধা নিয়ে সাবেক মন্ত্রীর এপিএস হিল্টন কুমার সাহার নিয়ন্ত্রণে এইচ এন এন্টারপ্রাইজ, লুৎফা এন্ড সস্ন, কে টেন্ডারের কাজ পেয়ে দিতে একান্ত সহযোগিতা করছে। ওই সমস্ত কর্মকর্তা কর্মচারীদের সঠিক তদন্ত করে টেন্ডারবাজ ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অসাধু কিছু কর্মকর্তাদের প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে ব্যবস্থা গ্ৰহণ করবে এমনটাই প্রত্যাশা ভুক্তভোগী ঠিকাদার ব্যবসায়ীদের। বিস্তারিত আগামী পর্বে,,,,,
মন্তব্য করুন