কালামানিক দেব গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধি :গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বি়ভিন্ন স্থানে মাঠে-মাঠে বোরোধান চাষ হয়েছে। এই বোরো ধানের ক্ষেতে কেউ বিদ্যুৎ চালিত মটর দিয়ে সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আবার অনেক কৃষক ডিজেল চালিত স্যালো মেশিন দিয়ে সেচ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।তারাই তেল সংকটে বেশি বিপাকে পড়েছেন তারা
হাট- বাজারে ডিজেল না পাওয়া কৃষকরা ছুটছেন উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরে। সেখানে কৃষক চাহিদা মত আবেদন করে কৃষি অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সুপারিশ দিয়ে অনুমোদনের জন্য গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে প্রেরন করেন। কিন্ত ইউএনও গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা হওয়ায়, একাধারে উপজেলা প্রশাসক,পৌর প্রশাসক, বিভিন্ন মিটিং, এর জন্য বাহিরে থাকলে বা ছুটির দিনগুলোতে সেই আবেদনগুলো সাক্ষর না হওয়ায় ভোগান্তি পহাতে হয়। আর ভোগান্তি পেরিয়ে ঘোরাঘুরি করে যারা ইউএনও’র কার্যালয়ের অনুমোদন পান তারাই সেই অনুমোদন পত্র নিয়ে ফিলিং স্টেশনে ডিজেল নিতে যান। আর এক ফিলিং স্টেশনে ডিজেলের স্টক না থাকলে,ঘুরতে হয় আরেক স্টেশনে। সেখানেও বিভিন্ন যানবাহনের লাইন, সময়মত তেল না পাওয়ায় কৃষকদের ভোগান্তি পোহাতে হয় বলে কৃষকরা অভিযোগ করেন। এদিকে যে সমস্ত কৃষক ডিজেলের অভাবে সময়মত সেচ দিতে পারছেন না, তাদের বোরো ধানের ক্ষেত ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। তাদের ফলন বিপর্যয়ের আশংকাও করছেন তারা।
আজ বিকালে সরেজমিনে গোবিন্দগঞ্জ জেপি ফিলিং গেলে পাম্প কতৃপক্ষ জানান,তাদের ডিজেল শেষ হয়ে গেছে। ডিজেল নেয়ার জন্য ডিপোতে গাড়ি পাঠানো হয়েছে। এখনও লোড হয়নি আসলে সরবরাহ করা হবে। এদিকে তাদের ডিজেলের জন্য তেলের অপেক্ষায় ২৬টি বড় কোচ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ মৌসুমী ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মুনছুর আলী জানান, আমরা কৃষকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তেল সরবরাহ করে থাকি।তেলের কোন সংকট হবে না ইনশাল্লাহ।
এ বিষয়ে তেল ব্যবস্থাপনায় কৃষকদের জন্য অগ্রাধিকার ও ভোগান্তির বিষয়ে জানতে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার বক্তব্য জানতে ফোন করলে, তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
মন্তব্য করুন