একজন জনপ্রতিনিধি কিংবা দায়িত্বশীল রাষ্ট্রনায়কের প্রকৃত পরিচয় ফুটে ওঠে তার কর্মে, জনকল্যাণে তার আন্তরিকতায় এবং মানুষের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার সক্ষমতায়। সেই বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার আজ দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের কাছে উন্নয়ন, আশা এবং আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
ঝালকাঠির ক্রীড়াঙ্গনের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল একটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া অবকাঠামো। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায়। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর স্টেডিয়ামের আধুনিকায়ন এবং অত্যাধুনিক স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে।
প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় থাকবে স্টেডিয়ামের আধুনিকায়ন ও গ্যালারি সম্প্রসারণ, আন্তর্জাতিক মানের সুইমিংপুল, আধুনিক জিমনেসিয়াম এবং ইনডোর স্টেডিয়াম। বাস্তবায়িত হলে ঝালকাঠির তরুণরা আধুনিক প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের প্রতিভা বিকাশের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।
শুধু ক্রীড়া নয়, স্বাস্থ্যখাতেও সমান গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার। সম্প্রতি তিনি বরিশাল শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন করে দ্রুত হাসপাতালটি চালুর বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামো নির্মিত থাকলেও কার্যক্রম শুরু না হওয়া হাসপাতালটি আগামী আগস্ট মাসেই চালু করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের এই উদ্যোগ বরিশাল বিভাগের লাখো শিশুর জন্য আধুনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার পথ খুলে দেবে। তাঁর তদারকি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় হাসপাতালটির জন্য প্রয়োজনীয় জনবল, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং সেবার কাঠামো প্রস্তুতের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।
জনগণের কল্যাণে নিবেদিত এই মানুষটি বিশ্বাস করেন, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও খেলাধুলার সুযোগ একটি জাতিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রধান হাতিয়ার। তাই একদিকে যেমন তিনি তরুণদের জন্য আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো নিশ্চিত করতে কাজ করছেন, অন্যদিকে শিশুদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতেও সমানভাবে সচেষ্ট।
ঝালকাঠি ও বরিশালের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের নেতৃত্বে এ অঞ্চলের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা আরও বেগবান হবে। তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং উন্নয়নমুখী কর্মপরিকল্পনা ইতোমধ্যে মানুষের হৃদয়ে গভীর আস্থা ও ভালোবাসার জায়গা তৈরি করেছে। জনগণের সেই আস্থা ধরে রেখে তিনি দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের নতুন ইতিহাস রচনা করবেন এমন প্রত্যাশাই এখন সর্বস্তরের মানুষের।
মন্তব্য করুন