হেলাল আহমেদ, গোপালগঞ্জ : উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধান অন্তরায় বেকারত্ব। এই অভিশাপ থেকে রাষ্ট্রকে মুক্ত করতে এবং একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সরাসরি দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা কামনা করেছেন গোপালগঞ্জের তরুণ সমাজ।
আজ (তারিখ) সকালে জেলা প্রশাসক জনাব আরিফ উজ-জামানের নিকট ‘বাংলাদেশ বেকার মুক্তি পরিষদ’ গোপালগঞ্জ জেলা শাখার পক্ষ থেকে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। সংগঠনের মূল লক্ষ্য- প্রধানমন্ত্রীর সাথে সরাসরি সাক্ষাতের মাধ্যমে বেকারমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের রূপরেখা তুলে ধরা এবং এ বিষয়ে সরকারের কার্যকর অংশীদার হওয়া।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা শাখার সভাপতি আমিয় সরকার ও সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া ইসলাম ধিরাজ। এছাড়াও বিভিন্ন উপজেলা থেকে সংহতি জানাতে আসেন মুকসুদপুরের জাকির মোল্লা, টুঙ্গিপাড়ার স্বপন, কোটালীপাড়ার বিধান মজুমদার এবং নারী নেত্রী সোমা খানম।
স্মারকলিপি প্রদানের পূর্বে এক সংক্ষিপ্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সক্রিয় সদস্য হাবিব-এর সঞ্চালনায় বক্তারা তাদের দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। তারা বলেন, “আমরা শুধু চাকরির দাবি নিয়ে আসিনি, আমরা এসেছি আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কারিগর হতে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের আধুনিক ও গতিশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে আমরা বেকারত্বের অভিশাপ মুছে দিতে চাই। ওনার সাথে আলোচনার সুযোগ পেলে আমরা বেকারমুক্ত দেশ গঠনের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সহযোগিতা প্রদান করতে পারব।”
নেতৃবৃন্দ আরও জানান, গোপালগঞ্জ জেলা শাখা তৃণমূল পর্যায় থেকে শিক্ষিত ও দক্ষ তরুণদের সংগঠিত করছে যাতে রাষ্ট্র গঠনে তারা সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারে। জেলা প্রশাসক স্মারকলিপিটি গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেন এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তা পৌঁছানোর আশ্বাস প্রদান করেন।
দেশের ক্রান্তিলগ্নে তরুণদের এমন ইতিবাচক ও সৃজনশীল উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে। বেকারমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের এই দাবি এখন কেবল স্মারকলিপিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা গোপালগঞ্জের হাজারো তরুণের প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে।
মন্তব্য করুন