নিউজ ডেস্ক
২০ মে ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ১৯ মে ২০২৬ খ্রি. “এশিয়া পোস্ট” নামক একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে “মাসুদ সাঈদীর ইস্তানবুল হোটেলে বিনিয়োগকারীদের ১৭৫ কোটি টাকা গেল কোথায়” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়টি ইস্তাম্বুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেডের পরিচালনা পরিষদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। আমরা এ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবেদন প্রকাশের আগে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই না করেই মনগড়া তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে, যা সাংবাদিকতার ন্যূনতম নৈতিকতা ও পেশাদারিত্বের পরিপন্থী।
রেখেছি। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায়
আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আইন, স্বচ্ছতা ও নীতিমালার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়ে আসছে। একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ণ করা, জমি জমি ও স্থাপনা মালিকানায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা ও আমাদের ব্যবসায়িক সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, “১০ হাজার শেয়ার বিনিয়োগ করে মোট ৩০০ কোটি টাকা মার্কেট থেকে তোলার যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সর্বেধ মিথ্যা। ১০ হাজার শেয়ার বিক্রি হয়েছে এই কথা সত্য নয় বরং দশ হাজার জমি ও মালিকানা বিক্রয় ও বুকিং হয়েছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করে জমির শেয়ার কিনেছেন। এবং বাকিরা ইনস্টলমেন্ট টাকা পরিশোধ করছে। কেউ ২৫ হাজার দিয়েছেন, কেউ ৫০ হাজার পরিশোধ করেছেন এবং বাকি টাকা কিস্তিতে পরিশোধ করছেন। কিন্তু এই প্রতিবেদনের প্রতিবেদক সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে সত্য গোপন করে এই রিপোর্ট তৈরি করেছে।” ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট কোনো ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক শেয়ার বিক্রি করছে না, বরং সাব-কবলা রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে জমির মালিকানা এবং তার ওপর নির্মিত স্থাপনার মালিকানা বিনিয়োগকারীদের নিকট হস্তান্তর করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ বৈধ ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া। অথচ প্রতিবেদনে বিষয়টি উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই, ইস্তানবুল হোটেল এন্ড রিসোর্ট জমির শেয়ার হোল্ডারদের বিনিয়োগকৃত টাকার নিরাপত্তা বিধান কালে বিনিয়োগকৃত টাকা আমরা জমিতে রেখেছি বিভিন্ন ব্যাংকে নগদে রেখেছি ও এফডিআর করে
দেশি-বিদেশি বিভিন্ন শুভানুধ্যায়ী ও বিনিয়োগকারীরা বৈধ উপায়ে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কার্যক্রমে বিনিয়োগ করেছেন। কোনো প্রতিষ্ঠানের অর্থ কোথায় সংরক্ষিত বা এফডিআর করা হয়েছে, তা যাচাই-বাছাই ছাড়া “টাকা উধাও” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা চরম দায়িত্বহীনতা এবং সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী। এই হলুদ সাংবাদিকতা ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের সব অর্থ নিয়মতান্ত্রিকভাবে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে সংরক্ষিত ও পরিচালিত হয়। অথচ প্রতিবেদনে ইচ্ছাকৃতভাবে একপাক্ষিক তথ্য পরিবেশন করে বিনিয়োগকারী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা করা হয়েছে।
আমরা জমিতেই বেশি বিনিয়োগ করেছি। সুতরাং টাকা কোথায় গেল এই প্রশ্ন অবান্তর, এমন রিপোর্ট পরিকল্পিত এবং এই রিপোর্ট আমাদেরকে ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য করা হয়েছে বলে আমরা মনে করি। সংবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির সম্পৃক্ততার যে অপপ্রচার চালানো হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আমরা দ্যার্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই ইস্তানবুল হোটেল এন্ড রিসোর্ট সংস্থার সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক বা আর্থিক কোন সম্পর্ক নেই। এটি সম্পূর্ণ বৈধ ব্যবসায়িক কাঠামোর আওতায় পরিচালিত সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠান।
মূলত ইস্তাম্বুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী এবং প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ডিএম ইমদাদুল হকের ব্যক্তি ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ণ করতেই এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয় ইতিমধ্যেই দেশ-বিদেশে সুনামের সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছে। এই অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল ধারাবাহিক অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।
অস্পষ্ট ও অযাচাইকৃত সূত্রের বরাত দিয়ে এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী বলে প্রতীয়মান হয়। তাই এই হলুদ সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে এই প্রতিবাদলিপি হুবহু প্রকাশের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি। ও এই বিভ্রান্তিকর রিপোর্ট জন্য দুঃখ প্রকাশের আহবান জানাচ্ছি অন্যথায় ইস্তানবুল হোটেল এন্ড রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী এশিয়া পোস্ট এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।
ইস্তানবুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড (Istanbul Hotel & Resort Limited)

আমাদের বসুন্ধরা/ ঢাকা

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের দূরদর্শী নেতৃত্বে বদলে যাচ্ছে ঝালকাঠি ও বরিশাল

সাবেক মন্ত্রীর এপিএস হিল্টন চক্রের নিয়ন্ত্রণে চলছে টেন্ডার বাণিজ্য, অভিযোগ ঠিকাদারদের

ঢাকা মহানগর উত্তর জিয়া শিশু কিশোর মেলার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হলেন গোলাম ফারুক

ফুলের শুভেচ্ছায় সিক্ত এসএসপি’র আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান শিশু হাসপাতাল এর নতুন পরিচালনা কমিটি অনুমোদন

দেশে ফিরছেন জাতীয় দৈনিক আমাদের বসুন্ধরা’র মালদ্বীপ প্রতিনিধি মো. আবু জাহের

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে শ্রীপুরে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢল

আবাসন খাতের সংকটে নতুন আশার আলো ইস্তাম্বুল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট

মালদ্বীপ মালেতে এক অভিজাত খাবার হোটেল বিরানি মহলের যাত্রা শুরু আজ থেকে

সৌর বিদ্যুতে বদলে যেতে পারে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ

১০

ঝালকাঠি পৌর এলাকার ৯ টি খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও খনন করা হবে -বললেন জেলা প্রশাসক মোঃ মমিন উদ্দিন

১১

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যকর বার্ধক্য নিয়ে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরলেন ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার

১২

দিনাজপুরে চক্ষু হাসপাতালে দালালদের খপ্পরে দিশেহারা রুগি

১৩

ঝালকাঠি সরকারি মহিলা কলেজের সচেতনতামূলক র‌্যালী

১৪

নড়াইলে জামিনে মুক্ত হয়েই ভুক্তভোগী পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত ২

১৫

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

১৬

ঢাকার মুগদার মান্ডা লাশের সাত টুকরা উদ্ধার

১৭

“স্বেচ্ছাসেবক দলের তৃণমূলের কর্মিদের পছন্দের তালিকায় নজরুল ইসলাম এগিয়ে”

১৮

এসএসপি নির্বাচন সম্পন্ন: সভাপতি গোলাম ফারুক, সাধারণ সম্পাদক আবু আবিদ

১৯

শ্রীপুরে মধ্যরাতে ঘর ছেড়েছিলেন কবির হোসেন, সকালে মিলল গাছের ডালে ঝুলন্ত মরদেহ

২০
২০ মে ২০২৬

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

www.amaderbashundhara.com|
Amaderbasundara