নিজস্ব প্রতিবেদক ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাটি ১৯ কিলোমিটার সীমান্তবর্তী হওয়ায় পাচারকারী ও মাদককারবারীরা বিভিন্ন সময় মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে এতে করে যত্রতত্র সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান বিভিন্ন অবৈধ মালামাল প্রবেশ করছে বাংলাদেশে। যেহেতু ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাটি (১৯) কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে অনেক সময় সীমান্তে পাহারায় থাকা বিজিবির চোখ ফাঁকি দিতে পারলেও শেষ রক্ষা হয় না পাচারকারীদের। অবশেষে বিজিবির দূরদর্শী অভিযানে ধরা পড়ছে বড় বড় চোরা চালান। এটি আসলেই প্রশংসার দাবিদার এই ধারাবাহিকতায় বিজিবি একের পর এক অভিযান চালিয়ে আটক করছেন বড় বড় চালান।
*সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) ৭০ লক্ষ ০৪ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ বিভিন্ন প্রকার মালামাল জব্দ করা হয়। তবে বিজিবি মহাপরিচালকের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে চোরাই মালামাল পাচার রোদে জিরো টলারেন্সে কাজ করার জন্য। এই ধারাবাহিকতায় বিজিবি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ কাজ করে যাচ্ছে।
মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর নির্দেশনা *বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক* এ মূলমন্ত্রে দিক্ষিত হয়ে সীমান্তে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) কর্তৃক গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে হয়েছে বলে জানিয়েছে সুলতানপুর (৬০) ব্যাটালিয়ান বিজিবি।
এরই ধারাবাহিকতায় *সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এর অধিনায়ক, লেঃ কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, এএসসি* এর দিক নির্দেশনা ও সুনিপুন পরিকল্পনা মোতাবেক কুমিল্লা জেলার ব্রাক্ষণপাড়া ও আদর্শ সদর উপজেলা এবং ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার সীমান্ত এলাকা হতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ মালামাল জব্দ করতে সক্ষম হয়।
১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ* সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার গোসাইস্থল, কাজিয়াতলী, চন্ডিদার, কসবা, মঈনপুর, মাদলা, খাদলা, বিওপি এবং কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া, বুড়িচং এবং আর্দশ সদর উপজেলার সালদানদী, শশীদল, শংকুচাইল এবং খারেরা বিওপির টহলদল কর্তৃক দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে *শাড়ী, বাজি, জিরা, বাসমতি চাউল, ফুসকা, চিংড়ি মাছের রেণু, জনসন বেবি পাউডার, সাবান, রেডবুল এনার্জি ড্রিংকস, মশার কয়েল, অকটেন তৈল জব্দ* করতে সক্ষম হয়। আটককৃত চোরাচালানী মালামালের সর্বমোট নিরুপিত *সিজার মূল্য আনুমানিক ৭০,০৪,১২০/-(সত্তর লক্ষ চার হাজার একশত বিশ) টাকা*। আটককৃত চোরাচালানী মালামালসমূহ কাষ্টমস্ অফিসে জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কর্তৃপক্ষ উর্ধ্বতন সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) সর্বদা সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব চোরাচালানী মালামাল জব্দ করা হয় বলে জানিয়েছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল শরীফ পরিচালক অধিনায়ক সুলতানপুর (৬০) ব্যাটালিয়ান বিজিবি।