মোহাম্মদ মোস্তফা ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানা পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা ও তিন হাজার ১৪০ পিস ইয়াবা সহ তিনজন মাদক কারবারি কে গ্রেফতার করেছে আশোগঞ্জ থানা পুলিশ। আশুগঞ্জ সেতু টোল প্লাজা রহস্যের ঘেরা এলাকাবাসীর সন্দেহ একই জায়গা থেকে বারবার মাদক উদ্ধার হওয়া তাহলে কি টোল প্লাজার কর্মকর্তা কর্মচারীদের কেউ এর সাথে জড়িতৎ এটি এখন বড় প্রশ্ন এলাকাবাসীর। এলাকাবাসী বলছেন যেহেতু ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাটি ১৯ কিলোমিটার সীমান্ত ঘেরা সেই ক্ষেত্রে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধ মাদক ডুকছে বাংলাদেশে এটি আমরা জানি। কিন্তু এই মাদক সীমান্তের থানাগুলো পার হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ভেতর দিয়ে আশুগঞ্জ টুল প্লাজা কিভাবে আটক হল এই রহস্যের উদঘাটন হওয়া অতীব জরুরী বলে মনে করছেন সুশীল সমাজ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পুলিশ সুপারের মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের কাজ করার নির্দেশনা রয়েছে সেটি আমরা জানি। এবং পুলিশও সে নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন জায়গায় নিরলস অভিযান চালিয়ে মাদকের বড় বড় চালান আটক করার জন্য অভিযান চালাচ্ছেন এই ধারাবাহিকতায় অভিযান পরিচালনা করে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ।
*আশুগঞ্জে ১০ (দশ) কেজি গাঁজা ও ৩,১৪০ (তিন হাজার একশত চল্লিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার, ৩ মাদক কারবারী গ্রেফতার।
২২/০৪/বুধবার সকাল ০৭.২৫ ঘটিকায় আশুগঞ্জ থানা পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অত্র থানাধীন আশুগঞ্জ টোলপ্লাজা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় পুলিশ অভিযানকালে ০১ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করে এবং তার হেফাজত হতে ১০ (দশ) কেজি গাঁজা ও পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ১ টি পিকআপ উদ্ধার করে।
দ্বিতীয় অভিযানে ২২/০৪/বুধবার সকাল ১০:১৫ ঘটিকায় আশুগঞ্জ টোলপ্লাজা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ০২ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করে এবং তাদের হেফাজত হতে ৩,১৪০ (তিন হাজার একশত চল্লিশ) পিস মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেটসহ পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ১ টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন ১। মোঃ সাগর মিয়া (১৯) পিতা কালাম মিয়া মাতা সুফিয়া খাতুন সাং যাত্রা গাঁও থানা চুনারুঘাট জেলা হবিগঞ্জ, ২। মোঃ জুয়েল মিয়া (১৮) পিতা আবুল কাশেম মাতা ফরিদা বেগম সাং মজলিশপুর ইউপি মজলিসপুর, ৩। রুবেল মিয়া (৩২) পিতা সুরুজ আলী মাথা মোসাম্মৎ আছিয়া বেগম সাং মজলিসপুর ইউপি মজলিসপুর থানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া। থানা সূত্রে জানানো হয় মাদক উদ্ধার সংক্রান্ত পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। এবং মাদক উদ্ধারে পুলিশ জিরো টলারেন্স এ কাজ করছে। মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আশুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি।
মন্তব্য করুন